ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ যুদ্ধ সাল প্রতিপক্ষ বিজয়ী কলিঙ্গ যুদ্ধ ২৬১ খ্রিঃ পূঃ অশোক ও কলিঙ্গরাজ অশোক হিদাসপিসের যুদ্ধ ৩২৬ খ্রিঃ পূঃ আলেকজান্ডার ও পুরুরাজ আলেকজান্ডার পেলোপনেসিয়ান যুদ্ধ ৪৩১ খ্রিঃ পূঃ স্পার্টা ও অ্যাথেন্স স্পার্টা ম্যারাথনের যুদ্ধ ৪৯০ খ্রিঃ পূঃ অ্যাথেন্স ও পারস্য অ্যাথেন্স প্রথম তরাইনের যুদ্ধ ১১৯১ খ্রিঃ প...

কবিতা: সবার আমি ছাত্র । sobar ami chhatro

কবিতা: সবার আমি ছাত্র

কবি : সুনির্মল বসু

কবি পরিচিতি : কবি সুনির্মল বসু ১৯০২ সালে বিহারের গিরিডিতে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটোদের

জন্য তিনি অনেক ছড়া, কবিতা, গল্প, উপন্যাস, নাটক ইত্যাদি লিখেছেন। তিনি রূপকথা, ভ্রমণকাহিনি

প্রভৃতি লিখে জনপ্রিয়তা লাভ করেন। তাঁর প্রথম কবিতাগ্রন্থ ‘হাওয়ার দোলা'। ছবি আঁকাতে তিনি

সমান দক্ষ ছিলেন। তাঁর লেখা বিখ্যাত বইগুলি হলো ছানাবড়া, ছন্দের টুট্টোং, বীর শিকারি, বেড়ে

হতা, হইচই, কথাশেখা ইত্যাদি। ১৯৫৬ সালে তাকে ‘ভুবনেশ্বরী পদক’ দিয়ে সম্মানিত করা

হয়েছিল। ১৯৫৭ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কবি সুনির্মল বসুর জীবনাবসান হয়।


সারমর্ম :  এই বিরাট পৃথিবী কবির কাছে একটি শিক্ষালয়। পৃথিবীর নানা জিনিস থেকে তিনি প্রতিনিয়ত শিক্ষা গ্রহণ করেন, আকাশের কাছে তিনি উদার হওয়ার শিক্ষা পেয়েছেন, বাতাস তাঁকে শিখিয়েছে কর্মী হতে। পাহাড় তাঁকে শেখায় মৌন ও মহান হতে। খোলা মাঠকে দেখে তিনি দিলখোলা হবার শিক্ষা লাভ করেন। সূর্যের কাছ থেকে তিনি পান আপন তেজে জ্বলতে থাকার শিক্ষা, চাঁদকে দেখে তিনি শেখেন মিষ্টি হেসে মধুর কথা বলতে। সাগরকে দেখে নিজের অন্তরকে তিনি রত্ন আকর বা রত্নের খনি গড়ে তুলতে উৎসাহ লাভ করেন। নদীর কাছ থেকে কবি লাভ করেন আপন বেগে এগিয়ে চলার শিক্ষা। মাটি কবিকে বলে সহাশক্তি অর্জন করতে, পাথর তাকে বলে নিজের কাজে কঠোর হতে। ঝরনা তার স্বাভাবিক কলগানে কবির মনে গান জাগায়, শ্যামবনানী অর্থাৎ সবুজ গাছপালা কবিকে দেয় পরসতা। সারা পৃথিবী জুড়েই কবির এই পাঠশালা বিরাজ করছে। কবি সব কিছুরই ছাত্র, দিনরাত ধরে তিনি এই বিশ্ব প্রকৃতির কাছ থেকে নতুন নতুন জিনিস শিখছেন। বিশ্ব প্রকৃতির এই বিরাট খাতায় যা না জানার রয়েছে, কৌতূহলী মন নিয়ে কবি তা শিখেই চলেছেন।

পাঠ্যাংশের ব্যাকরণ ও নির্মিতি বিষয়ক প্রশ্নোত্তর:

শব্দার্থ : শিক্ষা জ্ঞান অর্জন করা। কর্মী—কাজে দক্ষ। মন্ত্র–পূজা বা যে কোনো ধর্মমূলক কাজে যে শব্দ উচ্চারণ করা হয়। সমান—সমতা। মন্ত্রণা—পরামর্শ। দিলখোলা – উদারমনা। তেজে—শক্তিতে। জ্বলতে জ্বলে উঠতে। মিঠে–মিষ্টি। ইঙ্গিত-ইশারা। সাগর—সমুদ্র। অন্তর—মন, হৃদয়। রত্ন আকর-রত্নের খনি, সমুদ্র। বেগে—গতিতে। সহিঞ্চুতা–ধৈর্য, সহাক্ষমতা। আপন-নিজের। কঠোর শক্ত বা নির্মম। পাষাণ-পাথর। দীক্ষা—মন্ত্রগ্রহণ। শ্যামবনানী–সবুজ অরণ্য। সরসতা-রসালো ভাব। বিশ্বজোড়া—পৃথিবী জুড়ে। মোর-আমার। দিবারাত্র—দিনরাত।


বিপরীত শব্দ: -  শিক্ষা—অশিক্ষা। উদার-অনুদার। সমান—অসমান। মৌন—মুখর। হাসতে—কাঁদতে। অন্তর—বাহির। জ্বলতে-নিভতে। মিঠে-কড়া। আপন-পর। কঠোর—কোমল বা নরম। সরসতা—নীরসভা। বিরাট—ক্ষুদ্র। সন্দেহ-নিঃসন্দেহ।

বিশেষণ

বিশেষ্য

বিশেষ্য

বিশেষণ

কর্মী

কর্ম

শিক্ষা

শিক্ষিত

মৌন

মৌনতা

মন্ত্র

মন্ত্রণা

মধুর

মধু

বায়ু

বায়বীয়

কঠোর

কঠোরতা

মাঠ

মেঠো

বিরাট

বিশালতা

তেজ

তেজি

 

বাক্যরচনাঃ

মন্ত্ৰ-পূজার সময় পূজারি মন্ত্র বলেন।

মৌন—প্রশ্নের উত্তর না জানায় সে মৌন হয়ে রইল।

বেগে-পাহাড় থেকে প্রবল বেগে অলধারা নেমে আসছে।

দীক্ষা—বহু মানুষ দেবতার মন্ত্রে গুরুর কাছে দীক্ষা নেন।

ভিক্ষা–ভিক্ষুক পথে পথে ভিক্ষা করে চলেছে।

উদার - দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের হৃদয় ভীষণ উদার ছিল

মহান - আমাদের দেশে অনেক মহান ব্যক্তি জন্মেছিলেন

মন্ত্রণা -  কারো কাছ থেকে কুমন্ত্রণা  নিতে যেও না।

সহিষ্ণুতা - শান্তিপূর্ণ জীবন চাও তো সহিষ্ণুতা অবলম্বন কর

সন্দেহ - লোকটাকে দেখে পুলিশ সন্দেহ করে ধরে নিয়ে গেল।

কৌতূহল  - যতই কৌতুহল বাড়বে ততই শিখতে পারবে ।

ঝর্ণা  - হিমালয় পর্বতে প্রচুর ঝর্ণা দেখতে পাওয়া যায়।





 সন্ধি কর :- 

1. রত্ন + আকর 

উত্তর : রত্না কর


2. মেঘ + আলোক = 

উত্তর : মেঘালক


3. কমলা + আসোনা = 

উত্তর : কমলাসনা 

সমার্থক শব্দ লেখ 

1. সূর্য এর সমার্থক শব্দ লেখো : 


উত্তর: দিবাকর, দিননাথ, সুরজ, অংশুমান ।


2. পাহাড় এর সমার্থক শব্দ  লেখো 


উত্তর: নগ, পর্বত, ভুধর, গিরি, অচল


3. বায়ু এর সমার্থক শব্দ  লেখো


উত্তর : বাতাস, হাওয়া, পবন, সমীর


4. নদী এর সমার্থক শব্দ  লেখো 


 উত্তর : প্রবাহিনি, তরঙ্গিনী


5. পৃথিবী এর সমার্থক শব্দ লেখো 


উত্তর : ধরিত্রী, ধরণী, বিশ্ব, জগত


6. সাগর এর সমার্থক শব্দ লেখো 


উত্তর :  সমুদ্র, পাড়াবার,জলধি




গদ্যরূপ লেখো :

 'কর্মী হবার মন্ত্র আমি বায়ুর কাছে পাইরে’।

 উঃ। আমি বায়ুর কাছে কর্মী হবার মন্ত্র পাই।

 ‘সূর্য আমায় মন্ত্রণা দেয় আপন তেজে জ্বলতে। 

উঃ। সূর্য আমায় আপন তেজে জ্বলার মন্ত্রণা দেয়।

 ইঙ্গিতে তার শিখায় সাগর, অন্তর হোক রত্নাকর'। 

উঃ। সাগর তার ইঙ্গিতে শিখায় যে অন্তর রত্নআবদর হোক।

 শ্যামবনানী সরসতা আমায় দিল ভিক্ষা'। 

উঃ। শ্যামবনানী আমায় সরসতা ভিক্ষা দিল।

 শিখছি সে সব কৌতূহলে সন্দেহ নাই মাত্র'।

 উঃ। কৌতুহলে সে সব শিখছি সন্দেহ মাত্র নাই।


১.  বিশ্বজোড়া পাঠশালা’ বলতে কবিতায় কী বোঝানো হয়েছে?

উঃ। বিশাল এই পৃথিবীতে কত জিনিসই না রয়েছে। কবি দেখেছেন এদের প্রত্যেকের থেকেই আমাদের কিছু না কিছু শেখার আছে। যেভাবে আমরা পাঠশালায় জ্ঞানলাভ করতে যাই সেভাবেই এই বিশ্বপ্রকৃতির থেকে আমরা জ্ঞানলাভ করতে পারি। তাই এই বিশ্বপ্রকৃতি কবির কাছে পাঠশালা অর্থাৎ শিক্ষালান। সারা বিশ্ব অর্থাৎ পৃথিবী জুড়েই এই পাঠশালা ছড়িয়ে রয়েছে । 


২. প্রকৃতির কার কাছ থেকে আমরা কীরূপ শিক্ষা পেতে পারি লেখো 

১. আকাশ- উদার হবার শিক্ষা পেতে পারি।

২.  বায়ু-  একজন কর্মী হয়ে ওঠার মন্ত্র আমরা বায়ুর কাছে পেতে পারি।

৩. পাহাড়- তার মতো মৌন ও মহান হওয়ার শিক্ষা পেতে পারি।

৪. সূর্য  -  নিজের তেজে বা শক্তিতে জ্বলে ওঠার শিক্ষা পেতে পারি।

৫. খোলামেলা - তার মতো দিলখোলা হওয়ার শিক্ষা দেয়।

৬. চন্দ্র - মিষ্টি হাসতে এবং মধুর কথা বলার শিক্ষা পেতে পারি।


৩. প্রকৃতির আরও কিছু উপাদানের কথা তুমি লেখো আর তাদের থেকে কী শিক্ষা তুমি নিতে পারো তা উল্লেখ করো।

উঃ। ভূগ বা ঘাস—তৃণ বা ঘাসের কাছ থেকে নিজের সম্মান বজায় রেখে ও কীভাবে নম্র ও বিনয়ী থাকা যায় তা শিখতে পারি।

ফুল–ফুল শেখায় নিজের গুণ কীভাবে সমানভাবে সকলকে বিতরণ করা যায়।

৪. এমন একজন মানুষের কথা লেখো যার কাছ থেকে অহরহ তুমি অনেক কিছু শেখোঃ

উঃ। মাষ্টারমশাই গৌরব হালদার মহাশয়  - আমার দেখা এমন একজন মানুষ যাঁর কাছ থেকে আমি অহরহ অনেক কিছু শিখে থাকি। তিনি আমার প্রতিবেশী এবং বয়স্ক মানুষ। তিনি জীবনে এগিয়ে চলা ও মাথা উঁচু করে বাঁচার জন্য নানারকম সুপরামর্শ আমায় দিয়ে থাকেন।

৫। শূন্যস্থানে কবিতার সঠিক শব্দ সবাও :

(ক) খোলা মাঠের ________ দিলখোলা হই ________।

 (খ)  _________ আমায় ______ দেয়, আপন_________ জ্বলতে।


উঃ। (ক) উপদেশে, তাইরে। (খ) মূর্ধমন্ত্রণা, তেজে। 


৬। সঠিক উত্তরটি বেছে নিয়ে লেখো :

(ক) আকাশ আমায় (ভিক্ষা/শিক্ষা/দীক্ষা) দিল। 

(খ) (পর্যাগ/করনা/চাঁদ) শিাল হাসতে মিঠে। 

(গ) গান জাগাল আমার (মনে/কানে/প্রাণে)।

(ঘ) এই পৃথিবীর বিরাট (পাতায়/খাতায়/মাথায়)

 (ঙ) (ইজ্জীতে/ইঙ্গিতে/সঙ্গীতে) তার শিখায় সাগর। 

(চ) পাহাড় শিখায় তাহার (প্রমাণ/সমান/সম্মান)।

উঃ। (ক) শিক্ষা। (খ)। চাঁদ। (গ) প্রাণে। (ঘ) খাতায়। (ঙ) ইঙ্গিতে (চ) সমান।


৭। এলোমেলো অক্ষরগুলি সাজিয়ে নিয়ে অর্থপূর্ণ শব্দ তৈরি করো :

সরতাস, পালাশাঠ, উদেপশে, রাদিবাত্র, কৌলেতূহ।

উঃ। সরতাস - সরসতা, পালাশাঠ—পাঠশালা, উদেপশে—উপদেশে, রাদিবাত্র—দিবারাত্র, কৌলেতূহ—কৌতূহলে।


৮। ঔদার্য এবং তেজস্বিতা কবি কার কাছে শিখলেন?


উত্তর : কবি এই মহাবিশ্বের পাঠশালায় বসে আকাশের কাছে শিখেছেন ঔদার্য। তেজস্বিতা অবলম্বনের শিক্ষা অর্জন করেছেন তিনি সূর্যের কাছ থেকে। অর্থাৎ, নিজের জ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করে ভুল বা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হওয়ার মানসিকতা অর্জন করেছেন তিনি সূর্যের কাছে।

৯। কী ভিক্ষা কার কাছ থেকে চেয়েছেন কবি?


উত্তর  :  প্রকৃতির পাঠশালার থেকে কবি শ্যামবনানীর কাছে সরসতা ভিক্ষা করেছেন। শ্যাম বলতে সবুজ বনভূমিকে বোঝায়। আমাদের চক্ষু শীতল করার জন্য আমরা সবুজ বনভূমির দিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করি। সবুজের দিকে তাকালে কবির মন সরস হয়ে ওঠে। 


১০. উদারতা, কর্মনিষ্ঠা ও সহিঞ্চুতা শিখেছেন কবি কাদের কাছ থেকে? এই শিক্ষা আমাদের কী কাজে লাগে?

উত্তর : আলোচ্য কবিতায় কবি সুনির্মল বসু উদারতার শিক্ষা নিয়েছেন আকাশের কাছ থেকে। কর্মী হওয়ার মন্ত্র নিয়েছেন তিনি বায়ুর কাছ থেকে। সহিতা শিখেছেন তিনি মাটির কাছে। আকাশ তার অনন্ত বিস্তৃতি দেখিয়ে আমাদের দৃষ্টিকে প্রসারিত করে, আমাদের মাঝে তৃপ্তি দান করে—কবি তাই তার কাছ থেকে সেই উদারতার শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। বায়ু নিরন্তর করে, চলেছে বায়ু না থাকলে কোনো প্রাণীর পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয়। বায়ুর এই যে নিয়ত বহমানতা অর্থাৎ প্রত্যেকের জন্য প্রতিনিয়ত উপস্থিত থাকা তা যথার্থ কর্মীর নিদর্শন। তাই বাবুর মতো সমাজের সুযোগ্য কর্মী হয়ে উঠতে চেয়েছেন কবি। মাটির বুকে নিশ্চিন্তে বিচরণ করে পৃথিবীর সমস্ত প্রাণী। অথচ মাটির কোনো অসন্তুষ্টি নেই। নিঃশব্দে মাটি সমস্ত সহ্য করে। কবি তাই বলেছেন, তাঁর জীবনে যতটুকু সহনশীলতা তিনি অর্জন করতে পেরেছেন তা শুধুমাত্র মাটির কাছ থেকেই।

১১. কার উপদেশ কবি দিলখোলা হন?


উত্তর : খোলা মাঠের উপদেশে কবির দিল খোলা হয়।

১২। পাষাণ কবিকে কি শিক্ষা দিয়েছিল?

উত্তর : আপন কাজ যে কঠোর হওয়ার জন্য পাষাণ কবিকে শিক্ষা দিয়েছিল।

১৩. কবে কার কাছ থেকে কি ভিক্ষা পেলেন?

উত্তর: শ্যামবনানির কাছ থেকে ষোড়শতার ভিক্ষা পেয়েছিলেন

১৪. কে কবি কে মধুর কথা বলতে শেখালো?

উত্তর : চাঁদ কবিকে মধুর কথা বলতে শেখালো।


১৫. নদীর কাছ থেকে কি শিক্ষা পাওয়া যায় ?

উত্তর : নদীর কাছ থেকে আপন বেগে চলার শিক্ষা পাওয়া যায়

১৬. কবি কার কাছ থেকে উদার হওয়ার শিক্ষা পেয়েছেন?

উত্তর : আকাশের কাছ থেকে

১৭. আকাশের রং কী?

উত্তর : আকাশে রং নীল

১৮. মৌন মহান হতে কবিকে কে শিখিয়েছে?

উত্তর : পাহাড়

১৯. পাহাড়ের অপর নাম কী?

উত্তর : পর্বত

২০. তোমার জানা তিনটি পর্বতের নাম লেখো।

উত্তর : হিমালয় পর্বত, সিঙ্গালীলা পর্বত, কাঞ্চনজঙ্ঘা পর্বত।।

২১. দিলখোলা হয়েছেন কবি কার উপদেশে?

উত্তর : খোলা মাঠের উপদেশে

২২. কবিকে চাঁদ কী শিখিয়েছে?

উত্তর : হাসতে এবং মধুর কথা বলতে

২৩। ইঙ্গিতে সাগর কী শেখায়?

উত্তর : অন্তর রত্নাআকর করে তুলতে

২৪। পাষাণ কীসের দীক্ষা দিয়েছে?

উত্তর : আপন কাজে কঠোর হতে

২৫। শ্যামবনানী কাকে কী সরসতা দিয়েছে?

উত্তর : কবি সুনির্মল বসুর মনে সরসতার মাধ্যমে দিয়েছে হাসিখুশি মানসিকতা।

২৬। পাঠশালা কোথায় আছে?

উত্তর : এই বিশ্বজুড়ে আছে পাঠশালা রয়েছে ।

২৭। এই পৃথিবীর বিরাট খাতায় কী আছে?

উত্তর : বিরাট খাতার পাতায় আছে জীবনে সহজভাবে বেঁচে থাকার শিক্ষা।

২৮। দিলখোলা শব্দের অর্থ কী? দিলখোলা একজন বিখ্যাত মানুষের নাম বলো।

উত্তর : দিলখোলা শব্দের অর্থ প্রশস্তচিত্ত। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ ছিলেন অত্যন্ত দিলখোলা মানুষ। তিনি আইনজ্ঞ হিসেবে প্রচুর রোজগার করেছেন এবং অকাতরে তা গরিবদুঃখীদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।


আরও পড়ুন  কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর । প্রশ্ন - উত্তর । kothao aamar hariye jabaer nei mana

cover topic-- 

সবার আমি ছাত্র প্রশ্ন উত্তর
সবার আমি ছাত্র সুনির্মল বসু
সবার আমি ছাত্র কবিতার মূলভাব
সবার আমি ছাত্র pdf
সবার আমি ছাত্র কবিতার ছবি
বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র
রত্ন আকর অর্থ

SOBAR AMI CHATRA 
SOBAR AMI CHHATRA
সবার আমি ছাত্র কবিতা সমগ্র বিশ্ব
সবার আমি ছাত্র কবিতার লেখক কে ?

sabar ami chhatra prashn uttar

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

নরহরি দাস। উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী । Narahari Das । upendra kishore roy chowdhury

ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ যুদ্ধ

ছেলেবেলার দিনগুলি, লেখিকা - পুণ্যলতা চক্রবর্তী । chele belar din guli । Punyalata Chakrabarty